বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ যাওয়ার উপায়
বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ যাওয়ার উপায় সরাসরি ফ্লাইট
- জনপ্রিয় এয়ারলাইন: Biman Bangladesh Airlines, US-Bangla Airlines, Maldivian Airlines।
- সরাসরি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে মালে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা, যা দীর্ঘ ভ্রমণের তুলনায় অনেক কম এবং আরামদায়ক।
- সুবিধা: ভ্রমণ দ্রুত, সহজ এবং একদম কম ঝামেলা। যারা সময় বাঁচাতে চান তাদের জন্য এটি সেরা বিকল্প।
বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ যাওয়ার কানেক্টিং ফ্লাইটের মাধ্যমে
- সাধারণ রুট: ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর বা দুবাইয়ের মতো শহরের মধ্য দিয়ে।
- সময়: প্রায় ৮–১০ ঘণ্টা বা কিছু ক্ষেত্রে আরও বেশি।
- খরচ : কখনও কখনও সরাসরি ফ্লাইটের তুলনায় কম হতে পারে, তবে সময় বেশি লাগায় ট্রাভেলারদের জন্য ধৈর্য প্রয়োজন।
বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ যাওয়ার টিকিটের আনুমানিক খরচ (২০২৬):
- ওয়ানওয়ে টিকিট: ৩৫,০০০–৫০,০০০ টাকা।
- রিটার্ন টিকিট: ৭০,০০০–৯০,০০০ টাকা।
বাজেট ফ্রেন্ডলি টিপস:
- আগাম বুকিং করুন: ফ্লাইট যত দ্রুত বুক করা হবে, খরচ তত কম হবে।
- অফ-সিজন ভ্রমণ: মে–নভেম্বর মাসে ভ্রমণ করলে কম খরচে এবং কম ভিড়ের মধ্যে ভ্রমণ সম্ভব।
- এয়ারলাইন অফার ও ডিসকাউন্ট খোঁজ করুন: অনলাইন বুকিং বা লয়্যালটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভালো অফার পেতে পারেন।
মালদ্বীপ ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ভিসা প্রসেস ২০২৬
মালদ্বীপে ভ্রমণের জন্য আপনি আগাম কোনো ভিসা আবেদন করতে হবে না। মালদ্বীপের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যেমন Velana International Airport (MLE)-এ পৌঁছানোর পর আপনি সরাসরি ইমিগ্রেশন কাউন্টারে গিয়ে ৩০ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা পাবেন। এই ভিসা ফ্রি এবং কোনো ফি দিতে হয় না। তবে, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা আপনার ভ্রমণ উদ্দেশ্য যাচাই করতে পারেন, তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা জরুরি।
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: মালদ্বীপে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে কিছু কাগজপত্র দেখাতে হবে। এগুলো হলো:
- পাসপোর্ট: আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে এবং পাসপোর্টে খালি ভিসা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
- রিটার্ন টিকিট: মালদ্বীপ থেকে আপনার পরবর্তী গন্তব্যের বা রিটার্ন ফ্লাইটের টিকিটের কপি।
- হোটেল বুকিং কনফার্মেশন: পুরো ভ্রমণের সময়ের জন্য হোটেল বা রিসোর্টেরবুকিং কনফার্মেশন। যদি আপনি কোনো রিসোর্টে থাকেন, তবে তাদের কনফার্মেশন ইমেইল বা ভাউচার সঙ্গে রাখুন।
- ট্রাভেল হেলথ ডিক্লারেশন (IMUGA Form): মালদ্বীপে প্রবেশের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে স্বাস্থ্য ফর্ম পূরণ করতে হয়। ফর্মটি পাওয়া যায়: https://imuga.immigration.gov.mv। ফর্ম পূরণ শেষে কিউআর কোড জেনারেট হবে, যা ইমিগ্রেশনে দেখাতে হবে।
- প্রয়োজনীয় অর্থের প্রমাণ: মালদ্বীপে ভ্রমণের জন্য আপনার সাথে যথেষ্ট টাকা থাকা জরুরি। সাধারণত প্রতিদিনের জন্য কমপক্ষে ১০০ মার্কিন ডলার (USD) হিসেবে দেখাতে হয়। নগদ টাকা, ডলার কার্ড, বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট হতে পারে প্রমাণ হিসেবে।
- ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স (ঐচ্ছিক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ): যদিও এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে ২০২৬ সালে নিরাপদ ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এতে স্বাস্থ্য সমস্যা বা লাগেজ হারানোর মতো পরিস্থিতিতে সুরক্ষা পাবেন।
- ভিসা এক্সটেনশন : আপনি মালদ্বীপে ৩০ দিনের বেশি সময় থাকতে চান, তবে আপনি ভিসা এক্সটেনশন আবেদন করতে পারেন। মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন বিভাগে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখিয়ে আপনার ভিসার মেয়াদ আরও ৬০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। তবে, এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
- মালদ্বীপে কাজ বা ব্যবসা করার জন্য এই ট্যুরিস্ট ভিসা ব্যবহার করা যাবে না। কাজের জন্য আলাদা ভিসা প্রয়োজন।
- নিয়ম না মানলে জরিমানা বা কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে।
- মালদ্বীপে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা আপনার ভ্রমণ উদ্দেশ্য যাচাই করতে পারেন, তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা জরুরি।
মালদ্বীপ ভ্রমণের আনুমানিক খরচ ২০২৬
মালদ্বীপ, সমুদ্রের বুকে এক টুকরো স্বর্গ, ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। তবে, ভ্রমণের খরচ বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে, যেমন ভ্রমণের সময়কাল, থাকার ধরন, খাবার ও ঘোরাঘুরির ধরন। নিচে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আনুমানিক খরচের হিসাব তুলে ধরা হলো:
- বাজেট হোটেল/গেস্টহাউস: স্থানীয় দ্বীপগুলোতে ৩-৪ তারকা হোটেলে ৩ রাতের জন্য আনুমানিক খরচ হবে BDT ৬০,০০০ – ৯০,০০০।
- মাঝারি মানের রিসোর্ট: ৩-৪ তারকা রিসোর্টে ৩ রাতের জন্য আনুমানিক খরচ হবে BDT ১,০০,০০০ – ১,৫০,০০০।
- লাক্সারি রিসোর্ট: ৫ তারকা রিসোর্টে ৩ রাতের জন্য আনুমানিক খরচ হবে BDT ২,০০,০০০ বা তার বেশি।
- বাজেট খাবার: স্থানীয় রেস্তোরাঁয় প্রতিদিন আনুমানিক খরচ হবে BDT ১,৫০০ – ২,৫০০।
- মাঝারি মানের রেস্তোরাঁ: প্রতিদিন আনুমানিক খরচ হবে BDT ৩,০০০ – ৫,০০০।
- রিসোর্টের খাবার: রিসোর্টে খাবারের খরচ সাধারণত বেশি হয়, যা BDT ৫,০০০ – ৮,০০০ প্রতিদিন হতে পারে।
- স্নরকেলিং: আনুমানিক খরচ হবে BDT ৩,০০০ – ৫,০০০।
- স্কুবা ডাইভিং: আনুমানিক খরচ হবে BDT ৮,০০০ – ১২,০০০।
- স্পিডবোট ভ্রমণ: আনুমানিক খরচ হবে BDT ৫,০০০ – ৮,০০০।
- সন্ধ্যা ক্রুজ: আনুমানিক খরচ হবে BDT ৩,০০০ – ৫,০০০।
- মাঝারি মানের ট্রিপ: BDT ১,০০,০০০ – ১,৫০,০০০।
- লাক্সারি ট্রিপ: BDT ২,০০,০০০ বা তার বেশি।
বাজেট-ফ্রেন্ডলি টিপস
- আগাম বুকিং করুন: ফ্লাইট ও হোটেল আগাম বুক করলে খরচ কমানো সম্ভব।
- অফ-সিজনে ভ্রমণ করুন: মে থেকে অক্টোবর মাসে ভ্রমণ করলে খরচ কম হতে পারে।
- লোকাল দ্বীপে থাকুন: রিসোর্টের পরিবর্তে স্থানীয় দ্বীপে গেস্টহাউসে থাকা খরচ কমায়।
- প্যাকেজ ডিল নিন: ফ্লাইট, হোটেল ও কার্যক্রম একসঙ্গে প্যাকেজ হিসেবে নিলে খরচ কম হতে পারে।
মালদ্বীপের দর্শনীয় স্থান ও অভিজ্ঞতা
মালদ্বীপের সেরা ভ্রমণ সময় এবং আবহাওয়া ২০২৬
মালদ্বীপে হোটেল ও থাকার খরচ (২০২৬)
- স্থানীয় দ্বীপে: মালদ্বীপের স্থানীয় দ্বীপগুলোতে গেস্টহাউস ও হোটেল পাওয়া যায়, যেখানে প্রতি রাতের খরচ $৫০ থেকে $১৫০ পর্যন্ত হতে পারে। এই হোটেলগুলোতে সাধারণত প্রাথমিক সুবিধা থাকে এবং স্থানীয় সংস্কৃতি অনুভব করার সুযোগ দেয়। মিড-রেঞ্জ রিসোর্ট (প্রতি রাত: $১৫০–$৪০০)
- মাঝারি মানের রিসোর্ট: এই রিসোর্টগুলোতে আধুনিক সুবিধা, সুইমিং পুল, রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি থাকে। প্রতি রাতের খরচ $১৫০ থেকে $৪০০ পর্যন্ত হতে পারে।বিলাসবহুল রিসোর্ট (প্রতি রাত: $৪০০ $২০০০+)
- লাক্সারি রিসোর্ট: এই রিসোর্টগুলোতে ওভারওয়াটার ভিলা, প্রাইভেট পুল, স্পা, ফাইন ডাইনিং ইত্যাদি সুবিধা থাকে। প্রতি রাতের খরচ $৪০০ থেকে $২০০০ বা তারও বেশি হতে পারে।মালদ্বীপে খাবারের খরচ (২০২৬)
- মালদ্বীপে খাবারের খরচ: মালদ্বীপে খাবারের খরচ রিসোর্টের ধরণ ও অবস্থানের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত:
- ব্রেকফাস্ট: অনেক রিসোর্টে ব্রেকফাস্ট অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে, কিছু রিসোর্টে এটি অতিরিক্ত খরচ হতে পারে, যা প্রায় $65++ প্রতি ব্যক্তি হতে পারে ।
- লাঞ্চ ও ডিনার: রিসোর্টের রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ ও ডিনারের খরচ প্রতি ব্যক্তি $100 থেকে $200 পর্যন্ত হতে পারে, নির্ভর করে মেনু ও রেস্টুরেন্টের মানের ওপর।
- স্থানীয় রেস্টুরেন্ট: স্থানীয় দ্বীপগুলোতে রেস্টুরেন্টগুলোতে খাবারের খরচ কম হয়। সাধারণত, একটি খাবারের খরচ $4 থেকে $8 পর্যন্ত হতে পারে ।
- সুপারমার্কেট: স্থানীয় সুপারমার্কেটে পানীয় ও স্ন্যাকসের দাম $1 থেকে $2 পর্যন্ত হতে পারে ।
বাজেট ফ্রেন্ডলি টিপস
- আগাম বুকিং: আগাম বুকিং করলে হোটেল ও ফ্লাইটের খরচ কম হতে পারে।
- স্থানীয় দ্বীপে থাকা: স্থানীয় দ্বীপগুলোতে থাকা খরচ কম এবং স্থানীয় সংস্কৃতি অনুভব করার সুযোগ দেয়।
- অফ-সিজন ভ্রমণ: অফ-সিজনে ভ্রমণ করলে হোটেল ও ফ্লাইটের খরচ কম হয়।
- অল-ইনক্লুসিভ প্যাকেজ: অল-ইনক্লুসিভ প্যাকেজে খাবার ও অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা খরচ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
মালদ্বীপ ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতা ২০২৬
- আবহাওয়া ও পোশাক নির্বাচন: মালদ্বীপে তাপমাত্রা বছরের সমস্ত সময়ে প্রায় ২৬–৩১°C থাকে। হালকা, আরামদায়ক এবং শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য পোশাক বেছে নিন। সূর্যের তাপ শক্তিশালী হওয়ায় সানস্ক্রিন, হ্যাট এবং সানগ্লাস ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। বৃষ্টির সময়ে রেইনকোট বা ছাতা সঙ্গে রাখুন।
- হোটেল বুকিং ও বাজেট: জনপ্রিয় রিসোর্ট এবং ওয়াটার ভিলার জন্য আগাম বুকিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অফ-সিজন বা বর্ষাকালে ভ্রমণ করলে হোটেল ভাড়া কমে যায়। হোটেল নির্বাচন করার সময় লোকেশন, সেবা ও রিভিউ যাচাই করে বুক করুন।
- স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা: সমুদ্রের পানিতে সাঁতার বা ডাইভিং করার আগেজীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট ব্যবহার করুন। যদি কোনো বিশেষ ওষুধ বা হেলথ কেয়ার প্রয়োজন হয়, তা সঙ্গে রাখুন। মালদ্বীপে হালকা পুকুরজাতীয় জ্বর ও খাদ্যজনিত সমস্যার সম্ভাবনা থাকে, তাই নিরাপদ পানি এবং ভালো মানের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
- সংস্কৃতি ও নীতি: মালদ্বীপ একটি মুসলিম দেশ। পাবলিক স্থানে শারীরিক আত্মপ্রকাশ (যেমন হাত ধরা বা চুম্বন) থেকে বিরত থাকুন। স্থানীয় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক নিয়মকানুন মানুন।
- ট্রান্সপোর্ট ও স্থানান্তর: দ্বীপগুলোর মধ্যে ট্রান্সপোর্টের জন্য বোট বা হাইড্রোফাইল ব্যবহার করা হয়। সঠিক এবং নিরাপদ সার্ভিস ব্যবহার করুন। হেলিকপ্টার বা প্রাইভেট বোট বুকিং করার আগে অফিশিয়াল সংস্থার সঙ্গে নিশ্চিত করুন।
- ডাইভিং ও ওয়াটার স্পোর্টস টিপস: ডাইভিং বা স্নরকেলিং করার আগে প্রশিক্ষণ বা গাইডের নির্দেশনা মেনে চলুন। সমুদ্রের প্রবাহ ও চরের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
- বাজেট ও অর্থ ব্যবস্থাপনা: হোটেল, খাবার ও ট্রান্সপোর্টের খরচ পূর্বেই পরিকল্পনা করুন। বড় পরিমাণ নগদ সঙ্গে রাখার পরিবর্তে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ব্যবহার সুবিধাজনক এবং নিরাপদ।
- সারসংক্ষেপ: মালদ্বীপে নিরাপদ ও স্মরণীয় ভ্রমণের জন্য আবহাওয়া, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ট্রান্সপোর্ট এবং বাজেট বিষয়গুলো ভালোভাবে পরিকল্পনা করা জরুরি। সচেতন থাকলে আপনার ছুটি হবে আনন্দদায়ক, নিরাপদ এবং স্মৃতিময়।
শেষ কথা: বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ ভ্রমণ গাইড লাইন 2026
FAQ – সাধারণ প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ ফ্লাইট ভাড়া কত?
উত্তর: রিটার্ন টিকিট গড়ে ২০,০০০ – ৪০,০০০ টাকা হতে পারে।
প্রশ্ন ২: ভিসা ছাড়া কি মালদ্বীপ ভ্রমণ করা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, আপনি অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাবেন (সর্বোচ্চ ৩০ দিন)।
প্রশ্ন ৩: মালদ্বীপ হানিমুনে কত খরচ হতে পারে?
উত্তর: ২ জনের জন্য মিড রেঞ্জ হানিমুন প্যাকেজে গড়ে ২,৫০,০০০ – ৩,৫০,০০০ টাকা
খরচ হতে পারে।
প্রশ্ন ৪: মালদ্বীপ ভ্রমণে কয়দিন যথেষ্ট?
উত্তর: গড়ে ৪-৫ দিন ভ্রমণ যথেষ্ট, তবে হানিমুন বা লাক্সারি ট্রিপে ৭-৮ দিনও
লাগতে পারে।
প্রশ্ন ৫: মালদ্বীপে কি বাজেট ভ্রমণ সম্ভব?
উত্তর: হ্যাঁ, স্থানীয় দ্বীপে থেকে আপনি অনেক কম খরচে মালদ্বীপ ভ্রমণ উপভোগ
করতে পারবেন।


