গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী -গ্রীস ভিসা প্রসেসিং করার উপায় : বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজতে বাংলাদেশি নাগরিকদের বড় একটি অংশ ইউরোপমুখী হচ্ছে। ইউরোপের উন্নত জীবনমান, তুলনামূলক বেশি আয় এবং বৈধভাবে কাজ করার সুযোগ মানুষকে আকৃষ্ট করছে। ইতালি, স্পেন ও পর্তুগালের পাশাপাশি বর্তমানে গ্রীসও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। গ্রীসের কৃষি, নির্মাণ, পর্যটন ও সেবাখাতে শ্রমিক সংকট থাকায় দেশটি বিদেশি কর্মী নিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে।
তবে আপনি চাইলে গ্রীসে কাজ করতে শুধু টিকিট কেটে চলে যেতে পারবেন না। সেখানে আপনি যদি বৈধভাবে কাজ করতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী -গ্রীস ভিসা প্রসেসিং করার উপায়, নিয়ম, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকার কারণে প্রতারণার শিকার হন বা ভুল পথে এগিয়ে যান। তাই এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো।
📌আরো পড়ুন👉 বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে (আপডেট তথ্য)
গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য কীভাবে আবেদন করতে হয়, গ্রীস ভিসা প্রসেসিং করার উপায়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, খরচ, বেতন, জীবনযাত্রা, ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা।
গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কী?
গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা হলো এমন একটি সরকারি অনুমোদিত ভিসা, যার মাধ্যমে কোনো বিদেশি নাগরিক গ্রীসে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার অধীনে বৈধভাবে কাজ করতে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে এই ভিসা মূলত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত—
- ওয়ার্ক পারমিট (Work Permit) – যা গ্রীস সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগকর্তার মাধ্যমে ইস্যু হয়।
- ন্যাশনাল ভিসা (Type D Visa) – যা দূতাবাস থেকে দেওয়া হয় এবং আপনাকে গ্রীসে প্রবেশের অনুমতি দেয়।
অর্থাৎ, আপনার যদি আগে চাকরি ও ওয়ার্ক পারমিট নিশ্চিত হয়, তারপর আপনাকে ভিসা দেওয়া হয়। এই ভিসা ছাড়া গ্রীসে কাজ করার অবৈধ এবং এতে বড় ধরনের আইনি ঝুঁকি থাকে। তাই আপনি যখন গ্রিসে যাবেন এ বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখবেন।
বাংলাদেশিদের জন্য গ্রীসে কাজের সুযোগ কেন বাড়ছে?
গ্রীস মূলত পর্যটন ও কৃষিনির্ভর দেশ। দেশটির অনেক তরুণ নাগরিক ইউরোপের অন্যান্য দেশে চলে যাচ্ছে ভালো চাকরির সন্ধানে। ফলে কৃষি, নির্মাণ ও হোটেল-রেস্টুরেন্ট সেক্টরে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এই শূন্যতা পূরণের জন্য গ্রীস সরকার বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের অনুমতি দিচ্ছে।
📌আরো পড়ুন👉জাপানের ভিসার দাম কত ২০২৬
বাংলাদেশিদের প্রতি গ্রীসের আগ্রহের পেছনে কয়েকটি কারণ আছে—
- বাংলাদেশি কর্মীরা সাধারণত পরিশ্রমী ও সহনশীল
- কৃষি ও নির্মাণ খাতে কাজের অভিজ্ঞতা বেশি
- দীর্ঘ সময় কাজ করতে আগ্রহী
- ইউরোপীয় শ্রম আইনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা
- তুলনামূলক কম মজুরিতে কাজ করতে রাজি
এই কারণেই ধীরে ধীরে গ্রীসে বাংলাদেশিদের উপস্থিতি বাড়ছে।
গ্রীসে বাংলাদেশিদের জন্য জনপ্রিয় কাজের ক্ষেত্র
গ্রীসে সাধারণত নিম্নোক্ত সেক্টরগুলোতে বাংলাদেশি নাগরিকদের চাকরির সুযোগ বেশি থাকে। তাই আপনার গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী -গ্রীস ভিসা প্রসেসিং করার উপায় সম্পর্কে জানা খুবই প্রয়োজন।
- ১. কৃষিকাজ (Agriculture) যেমন ফল ও সবজি সংগ্রহ, খামারের কাজ, গ্রিনহাউজে কাজ, আঙুর ও জলপাই বাগানে কাজ।
- ২. নির্মাণ খাত (Construction)যেমন রাজমিস্ত্রি, লেবার, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার, রড বাইন্ডার, হেলপার।
- ৩. হোটেল ও রেস্টুরেন্ট যেমন ওয়েটার, কিচেন হেলপার, ক্লিনার, কুক, ডিশ ওয়াশার।
- ৪. ফ্যাক্টরি ও ওয়ারহাউজ যেমন প্যাকেজিং, প্রোডাকশন লাইন, লোডিং-আনলোডিং।
- ৫. কেয়ারগিভার ও হাউসকিপিং যেমন বয়স্কদের দেখাশোনা, বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ।
গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ধরন
গ্রীস সরকার বিভিন্ন দেশের জন্য বিভিন্ন প্রকারের কাজের ভিসা প্রদান করে। এই বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
- Seasonal Work Visa (মৌসুমি কাজের ভিসা)
- Long-Term Work Visa (দীর্ঘমেয়াদি কাজের ভিসা)
- Employer Sponsored Visa
Seasonal Work Visa (মৌসুমি কাজের ভিসা)
গ্রিসের এই ভিসাটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় বলতে কিছু নির্দিষ্ট কাজ যেগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর আর বাদবাকি সময়ে থাকে না সেই জন্য এই ভিসাটি দেয়া হয় । এই Seasonal Work Visa (মৌসুমি কাজের ভিসা) মেয়াদ সাধারণত থাকে ৩ থেকে ৯ মাস পর্যন্ত। এ বিষয়টি সাধারণত নবায়নযোগ্য হয় না। আপনি যদি এই সামান্য কিছু সময়ের জন্য বেঁচে যেতে চান তাহলে মৌসুমী বিষয়ে যেতে পারেন।
Long-Term Work Visa (দীর্ঘমেয়াদি কাজের ভিসা)
আপনি যদি গ্রুপে একটু বেশি সময়ের জন্য থাকতে চান তাহলেLong-Term Work Visa (দীর্ঘমেয়াদি কাজের ভিসা) ভিসাটি নিতে পারেন। কারণ এই ভিসা মাধ্যমে আপনি সেখানে এক বছর বৈধভাবে থাকতে পারবেন এবং সেখানে বৈধ হবে কাজ করতে পারবেন। এই ভিসা সাধারণত ১ বছরের জন্য দেওয়া হলেও এটি নবায়নের সুযোগ থাকে। এক বছর পর আপনি চাইলে সেটি নবায়ন করে তার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
Employer Sponsored Visa
আপনি যদি Employer Sponsored Visa গ্রিসে যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সেখানকার নির্দিষ্ট কোনো কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা আপনাকে স্পন্সর করলে কেবলমাত্র আপনি এই ভিসা পেতে পারেন।
গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসার যোগ্যতা
বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে আপনি যদি গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে আপনাকে সাধারণত যেসব শর্ত পূরণ করতে হয়—
📌আরো পড়ুন👉 চেক রিপাবলিক ওয়ার্ক পারমিট ভিসা 2026 (আপডেট তথ্য)
- আপনার একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে যার মেয়াদ কমপক্ষে ১২ মাস।
- গ্রীসের নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চাকরির অফার
- আপনাকে অবশ্যই শারীরিকভাবে কর্মক্ষম হতে হবে
- আপনার কোনো গুরুতর অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা যাবে না
- মেডিকেল রিপোর্ট ক্লিয়ার হতে হবে
- পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে
- সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আপনি গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী -গ্রীস ভিসা প্রসেসিং করার উপায় বুঝতে চান তাহলে আপনারডকুমেন্ট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। অর্থাৎ আপনার ভিসা প্রসেসিং করতে কোন ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা থাকা এবং সেই সকল প্রয়োজনে কাগজপত্র আপনার নিকট সংগ্রহ করে রাখা খুবই প্রয়োজন। তাহলে চলুন জেনে নেই আপনার প্রয়োজনে কাগজপত্র সম্পর্কে-
আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা—
- বৈধ পাসপোর্ট ও পুরোনো পাসপোর্ট (যদি থাকে)
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- চাকরির অফার লেটার
- ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদনপত্র
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
- মেডিকেল রিপোর্ট
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যদি থাকে)
- কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র
- ভিসা আবেদন ফরম
- ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স (কিছু ক্ষেত্রে)
আপনি যদি উপরে উল্লেখিত কাগজপত্র সংগ্রহ করতে পারেন তাহলে আপনি গ্রিসে জন্য ভিসা প্রসেসিং করার কাজ এগোতে পারেন।
গ্রীস ভিসা প্রসেসিং করার উপায় (Step by Step)
ভিসা প্রসেসিং করতে আপনাকে গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী -গ্রীস ভিসা প্রসেসিং করার উপায় যে সকল ধাপ বা পদক্ষেপগুলো অতিক্রম করতে হবে সেইগুলো হল-
ধাপ ১: চাকরির অফার সংগ্রহ
প্রথমে আপনাকে গ্রীসের কোনো কোম্পানি, খামার বা নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চাকরির অফার পেতে হবে। এবং সেখান থেকে একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করতে হবে। এবং এটি যেভাবে আপনার হাতে পেতে পারেন —
- অনলাইন জব পোর্টাল থেকে
- বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থেকে
- আত্মীয় বা পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে
ধাপ ২: ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন
📌আরো পড়ুন👉জাপানে সর্বনিম্ন বেতন কত জানুন
আপনার নিয়োগকর্তা আপনার নামে গ্রীসের ইমিগ্রেশন অফিসে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করবে।
ধাপ ৩: ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন
গ্রীস সরকার আপনার আবেদন যাচাই করে অনুমোদন দিলে একটি অফিসিয়াল ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করবে।

ধাপ ৪: দূতাবাসে ভিসা আবেদন
আপনি যখন আপনার ওয়ার্ক পারমিট পাবেন তখন বাংলাদেশে অবস্থিত গ্রীস দূতাবাস বা নির্ধারিত ভিসা সেন্টারে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
ধাপ ৫: বায়োমেট্রিক ও ইন্টারভিউ
এখানে আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হবে এবং সংক্ষিপ্ত ইন্টারভিউ হতে পারে।
ধাপ ৬: ভিসা অনুমোদন ও যাত্রা
ভিসা অনুমোদিত হলে পাসপোর্টে ভিসা স্ট্যাম্প দেওয়া হবে এবং আপনি গ্রীসে যেতে পারবেন।
গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ
আপনি যখন গ্রিসে যাবেন সে গ্রিসে যাবার খরচ মূলত নির্ভর করে আপনার নিচে উল্লেখিত বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে-
- ভিসা ফি
- ওয়ার্ক পারমিট চার্জ
- মেডিকেল টেস্ট
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
- এজেন্সি ফি
- বিমান টিকিট
সাধারণত মোট খরচ হতে পারে আনুমানিক ৩ লক্ষ থেকে ৬ লক্ষ টাকা (পরিস্থিতিভেদে কমবেশি হতে পারে)।
গ্রীসে কাজের বেতন
গ্রীসে কাজের ধরন অনুযায়ী বেতন ভিন্ন হয়। অর্থাৎ আপনি যেমন কাজ করবেন তেমন বেতন পাবেন। কাজের ধরন ও বেতন গুলো হল নিম্নরূপ
- কৃষিকাজ: 700–900 ইউরো
- কনস্ট্রাকশন: 800–1200 ইউরো
- হোটেল ও রেস্টুরেন্ট: 700–1000 ইউরো
- ফ্যাক্টরি: 800–1100 ইউরো
এখানে ওভার টাইমের ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি যদি ওভারটাইম করেন তাহলে আপনার আয় আরও বাড়তে পারে।
গ্রীসে জীবনযাত্রার খরচ
গ্রীসের জীবনযাত্রার খরচের কথা শুনে আপনা হয়তো বা কিছুটা স্বস্তি পাবেন কেননা। গ্রীসে জীবনযাত্রার খরচ ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটাই কম। সেখানকার আপনার খরচের আনুমানিক একটি ধারণা দেওয়া হলো নিম্ন রূপ
- বাসা ভাড়া: 200–400 ইউরো
- খাবার: 150–250 ইউরো
- যাতায়াত: 50–80 ইউরো
- অন্যান্য খরচ: 50–100 ইউরো
গ্রীস ওয়ার্ক ভিসার সুবিধা
আপনি যদি বৈধভাবে দেশের মতো উন্নত দেশে পৌঁছাতে পারেন তাহলে সেখানে কাজে প্রচুর সুযোগ রয়েছে। যে সকল কাজের সুযোগ পাবেন তার মধ্যে অন্যতম হলো
- নিয়মিত আয়
- পরিবারের জন্য অর্থ পাঠানোর সুযোগ
- ভবিষ্যতে রেসিডেন্স পারমিট পাওয়ার সম্ভাবনা
- আন্তর্জাতিক কাজের অভিজ্ঞতা
গ্রীস ভিসা নেওয়ার সময় সতর্কতা
গ্রিসে যেতে হলে আপনার অবশ্যই ভিসার প্রয়োজন। এবং সেই ভিসা নেবার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবশ্যই আপনার মানা উচিত। আপনার যদি এই সতর্কতা অবলম্বন না করেন বা মেনে না চলেন তাহলে আপনি প্রতারিত হতে পারেন এবং আর্থিকভাবেও অনেকটা ক্ষতি হতে পারে আপনার। তাই অবশ্যই এই দিকে নজর দিবেন গ্রিসে যাওয়ার জন্য ভিসা নেওয়ার ক্ষেত্রে
- ভুয়া এজেন্সি থেকে দূরে থাকুন
- “গ্যারান্টি ভিসা” বিজ্ঞাপন এড়িয়ে চলুন
- চুক্তিপত্র ভালোভাবে পড়ুন
- যাচাই ছাড়া অগ্রিম টাকা দেবেন না
- সরাসরি দূতাবাসের নিয়ম জানুন
গ্রীসে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ
প্রথমে গ্রীসে অস্থায়ীভাবে কাজ করলেও নির্দিষ্ট সময় পর আপনার সেখানে রেসিডেন্স পারমিট নবায়নের সুযোগ থাকে। আপনার যদি সেখানে দীর্ঘদিন বৈধভাবে বসবাস করেন তাহলে ভবিষ্যতে স্থায়ী বসবাসের পথ খুলে যেতে পারে আপনার জন্য।
গ্রীস চাকরির আবেদনের ওয়েবসাইট
আপনি গ্রিসে যাওয়ার কথা চিন্তা করলে নিম্নলিখিত ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে সেখানে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন-
- EURES Greece
- LinkedIn Greece
- Kariera.gr
- XpatJobs Greece
- Monster Greece
- CareerJet Greece
- Eurojobs Greece
- JobFind.gr
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকেই কি আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ, চাকরির অফার পেলে বাংলাদেশ থেকেই আবেদন করা যায়।
প্রশ্ন: শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও আবেদন করা যাবে?
হ্যাঁ, লেবার ও কৃষিকাজে উচ্চ শিক্ষা প্রয়োজন হয় না।
প্রশ্ন: ভিসা পেতে কত সময় লাগে?
সাধারণত ২–৪ মাস।
প্রশ্ন: পরিবার নেওয়া যাবে কি?
প্রথমে একা যেতে হয়, পরে সম্ভব।
মন্তব্য: গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী
গ্রীস ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ফর বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত সুযোগ। সঠিক নিয়ম মেনে আবেদন করলে গ্রীসে বৈধভাবে কাজ করে ভালো আয় করা সম্ভব। তবে যেকোনো ধরনের প্রতারণা এড়িয়ে বিশ্বস্ত মাধ্যম ব্যবহার করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।