ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম: বর্তমানে বাংলাদেশে ভিডিও দেখে টাকা আয় করার বিষয়টি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যেকোনো জায়গায় বসে অবসর সময়ে ভিডিও দেখে বা ছোটখাটো কাজ করে বাড়তি আয়ের সুযোগ এখন সবার হাতের নাগালে।

এই অ্যাপগুলো সাধারণত কোনো টাকা ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। নিয়মিত ভিডিও দেখা, বিভিন্ন জরিপে অংশ নেওয়া কিংবা বন্ধুদের রেফার করার মাধ্যমে সরাসরি বিকাশ, নগদ বা গিফট কার্ডের মাধ্যমে টাকা পাওয়া সম্ভব।
তাই যারা টুকটাক আয়ের উপায় খুঁজছেন, তাদের জন্য এই লেখায় আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য কিছু ভিডিও ইনকাম অ্যাপের তালিকা তুলে ধরেছি।
ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৬
এখানে প্রতিটি অ্যাপের কাজের ধরন, বৈশিষ্ট্য এবং পেমেন্ট নেওয়ার নিয়মগুলো বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে, যাতে নতুনরা খুব সহজে কাজ শুরু করতে পারেন। ছাত্রছাত্রী, গৃহিণী কিংবা ফ্রিল্যান্সারদের মতো যেকোনো ব্যক্তি অবসর সময়ে ভিডিও দেখে আয়ের এই সহজ সুযোগটি নিতে পারেন।
📌আরো পড়ুন👉গেম খেলে টাকা ইনকাম করার অ্যাপস ২০২৬
তবে মনে রাখা জরুরি যে, এটি মূলত হাতখরচ বা পার্ট টাইম আয়ের জন্য একটি মাধ্যম। ধৈর্য ধরে নিয়মিত কাজ করলে এখান থেকে আয়ের পরিমাণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশে ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার সেরা অ্যাপগুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. Weekmotion
উইকমোশন (Weekmotion) বর্তমানে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ভিডিও দেখা, লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করার মাধ্যমেই টাকা বা পয়েন্ট আয় করা যায়। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ যাতে সহজে অনলাইনে ইনকাম করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এটি তৈরি করা হয়েছে।
এখানে কাজ করার পদ্ধতিও খুব সহজ। প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হয়, এরপর হোমপেজে থাকা ভিডিওগুলো দেখলেই আপনার অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হতে থাকে।
নিয়মিত ভিডিও দেখা এবং অন্যদের ভিডিওতে সক্রিয় থাকার মাধ্যমে এখানে রিওয়ার্ড বা আয়ের পরিমাণ বাড়িয়ে নেওয়া যায়। আবার নিজের তৈরি ভিডিও আপলোড করেও বাড়তি ইনকামের সুযোগ রয়েছে।
এই প্ল্যাটফর্মের অন্যতম বড় সুবিধা হলো লোকাল পেমেন্ট সিস্টেম। অর্থাৎ অনেক ক্ষেত্রে আপনি বিকাশ বা নগদের মতো পরিচিত মাধ্যমেই আপনার উপার্জিত টাকা তুলে নিতে পারেন।
এর ফলে কোনো বিদেশি ওয়ালেট বা জটিলতা ছাড়াই কাজ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। বর্তমানে ছাত্রছাত্রী, গৃহিণী এবং অবসর সময়ে বাড়তি আয় করতে আগ্রহী অনেক মানুষ এই মাধ্যমটি নিয়মিত ব্যবহার করছেন।
২. WeViewers
উইভিউয়ার্স (WeViewers) হলো একটি মাইক্রোওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ভিডিও দেখা, অ্যাপ প্রমোট করা বা ছোট ছোট অনলাইন কাজ করে টাকা আয় করা যায়।
এটি মূলত ভিডিও মার্কেটিংয়ের মতো কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারীরা ভিডিও দেখে বা শেয়ার করে ইনকাম করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্মে কাজ শুরু করার জন্য প্রথমে সাইন-আপ করতে হয়।
এরপর ড্যাশবোর্ডে বিভিন্ন কাজ বা ভিডিও পাওয়া যায়। প্রতিটি কাজ সফলভাবে শেষ করলেই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হতে থাকে। অনেক ব্যবহারকারীর মতে, এখানে নিয়মিত কাজ করলে মাসে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।
সবচেয়ে ভালো দিক হলো এখান থেকে বিকাশ, নগদ, ব্যাংক ট্রান্সফার এবং পেপালসহ নানা মাধ্যমে টাকা তোলা যায়। সাধারণত অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা হলেই আপনি টাকা তোলার আবেদন করতে পারবেন এবং কয়েক দিনের মধ্যেই পেমেন্ট পেয়ে যাবেন। তাই যারা মোবাইল ব্যবহার করে সহজে ভিডিও দেখে আয় করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ।
৩. Jumptask
জাম্পটাস্ক (Jumptask) একটি জনপ্রিয় মাইক্রো-টাস্ক আর্নিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ভিডিও দেখা, সার্ভে করা এবং ছোট ছোট অনলাইন কাজ করে টাকা আয় করা যায়।
এই প্ল্যাটফর্মে “Watch Videos & Earn” নামে আলাদা একটি বিভাগ রয়েছে, যেখান থেকে ভিডিও দেখে সহজেই পয়েন্ট বা রিওয়ার্ড সংগ্রহ করা সম্ভব। এই অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে কাজ করার পদ্ধতি খুবই সহজ।
প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ড্যাশবোর্ডে গেলেই আপনি বিভিন্ন কাজ ও ভিডিও দেখতে পাবেন। প্রতিটি ভিডিও দেখা বা কাজ শেষ করার সাথে সাথেই আপনার অ্যাকাউন্টে রিওয়ার্ড পয়েন্ট জমা হবে।
পরবর্তীতে এই পয়েন্টগুলো আপনি নগদ টাকা বা অন্যান্য পুরস্কারে বদলে নিতে পারবেন। অনেকেই তাদের অবসর সময়ে ভিডিও দেখে এখান থেকে ছোট ছোট ইনকাম করছেন। জাম্পটাস্কের (Jumptask) বড় সুবিধা হলো, এখানে শুধু ভিডিও দেখা নয়, বরং আরও অনেক উপায়ে আয় করার সুযোগ রয়েছে।
যেমন: গেম খেলা, সার্ভে পূরণ করা এবং বিভিন্ন নতুন অ্যাপ ব্যবহার করার মাধ্যমেও এখানে আয়ের সুযোগ রয়েছে। তাই যারা নিয়মিত মোবাইল ব্যবহার করেন, তারা প্রতিদিন কিছুটা সময় দিলেই এখান থেকে খুব সহজে বাড়তি কিছু টাকা আয় করে নিতে পারেন।
৪. RojDhan
রোজধন (RojDhan) এমন একটি অ্যাপ যেখানে ভিডিও দেখা, স্পিন গেম খেলা এবং ছোট ছোট কাজ করার মাধ্যমে পয়েন্ট জমানো যায়। প্রতিটি কাজ বা ভিডিও দেখা শেষ হলে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে রিওয়ার্ড পয়েন্ট জমা হয়, যা পরবর্তীতে টাকা বা অন্যান্য পুরস্কার হিসেবে তুলে নেওয়া সম্ভব।
এই অ্যাপের একটি বড় সুবিধা হলো এতে প্রতিদিন ভিডিও দেখা, স্ক্র্যাচ কার্ড এবং স্পিন-টু-উইন গেমের মতো নতুন নতুন কাজ পাওয়া যায়।
এই কাজগুলো শেষ করলে ধীরে ধীরে পয়েন্ট জমা হয় এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ হয়ে গেলে তা নগদে রূপান্তর করা যায়। অনেকেই অবসর সময়ে এসব অ্যাপ ব্যবহার করে টুকটাক আয় করে থাকেন।
তবে খেয়াল রাখা জরুরি যে, এসব অ্যাপ থেকে খুব বড় অংকের টাকা আয় করা সম্ভব নয়। এটি মূলত হাতখরচ বা পার্ট টাইম অনলাইন আয়ের একটি সহজ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫. ClipClaps
ক্লিপক্ল্যাপস (Clip Claps) একটি জনপ্রিয় অ্যাপ যেখানে মজার ছোট ভিডিও দেখা, গেম খেলা এবং বিভিন্ন কাজ করার মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়।
এটি মূলত বিনোদনধর্মী একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে টিকটক-স্টাইলের অনেক ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিও দেখার পাশাপাশি লাইক বা রিঅ্যাকশন দিলেও এখানে পয়েন্ট পাওয়া সম্ভব।
আরো পড়ুন
মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করার সেরা উপায় ২০২৬
এই অ্যাপের বিশেষ ফিচার হলো ‘ট্রেজার চেস্ট’ এবং ‘লাকি স্পিন’। আপনি যত বেশি ভিডিও দেখবেন, আপনার অ্যাকাউন্টে তত বেশি কয়েন বা রিওয়ার্ড জমা হবে। এছাড়া প্রতিদিন অ্যাপে প্রবেশ করলে লগইন বোনাস এবং বন্ধুদের ইনভাইট করার মাধ্যমে বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে।
যারা নিয়মিত মোবাইলে ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আয়ের খুব সহজ একটি মাধ্যম হতে পারে। ক্লিপক্ল্যাপস (Clip Claps)-এ জমা হওয়া কয়েনগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণে পৌঁছালে তা নগদ টাকা বা গিফট কার্ডে বদলে নেওয়া যায়।
অনেকেই পেপাল বা অন্যান্য পেমেন্ট মাধ্যমের সাহায্যে এখান থেকে টাকা তুলে থাকেন। যদিও এটি দিয়ে পুরোপুরি জীবিকা নির্বাহ সম্ভব নয়, তবে অবসর সময়ে ভিডিও দেখে কিছু বাড়তি টাকা আয় করার জন্য এটি বেশ ভালো একটি উপায়।
৬. Swagbucks
সোয়াগবাকস (Swagbucks) একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন রিওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ভিডিও দেখা, সার্ভে করা, গেম খেলা এবং অনলাইন শপিংয়ের মাধ্যমে পয়েন্ট আয় করা যায়।
বহু বছর ধরে চলে আসা এই প্ল্যাটফর্মে বিশ্বের অনেক মানুষ ছোট ছোট কাজ করে বাড়তি টাকা আয় করছেন। এখানে “Watch” নামে একটি আলাদা সেকশন আছে, যেখানে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন বা ছোট ভিডিও দেখলে পয়েন্ট পাওয়া যায়।
প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা পয়েন্ট দেওয়া হয়, যেগুলোকে বলা হয় “SB Points”। নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হলে সেগুলো নগদ টাকা বা গিফট কার্ড হিসেবে তুলে নেওয়া যায়।
এর আরও একটি সুবিধা হলো, ভিডিও দেখা ছাড়াও এখানে আয়ের আরও অনেক মাধ্যম আছে। যেমন: অনলাইন জরিপে অংশ নেওয়া, নতুন অ্যাপ ব্যবহার করে দেখা এবং গেম খেলা।
তাই অনেক ব্যবহারকারী প্রতিদিন কয়েকটি ছোট কাজ করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে বেশ ভালো পরিমাণ পয়েন্ট জমিয়ে ফেলেন।
৭. CashKarma
ক্যাশকর্মা (CashKarma) একটি জনপ্রিয় রিওয়ার্ড অ্যাপ, যেখানে ভিডিও দেখা, সার্ভে করা এবং ছোট ছোট অনলাইন কাজ করে পয়েন্ট আয় করা যায়।
অবসর সময়ে সহজ কিছু কাজের মাধ্যমে বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দিতেই এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে একটি ‘Watch Videos’ সেকশন রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন বা ছোট ভিডিও দেখলেই আপনার অ্যাকাউন্টে পয়েন্ট জমা হতে থাকে।
নিয়মিত ভিডিও দেখলে ধীরে ধীরে বেশ ভালো পয়েন্ট জমা হয়। এছাড়া প্রতিদিন লগইন বোনাস এবং লেভেল সিস্টেম থাকায় নিয়মিত ব্যবহারকারীদের জন্য বেশি রিওয়ার্ড পাওয়ার সুযোগ থাকে।
ক্যাশকর্মার বড় সুবিধা হলো, পয়েন্টগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণে পৌঁছালে তা নগদ টাকা বা গিফট কার্ডে বদলে নেওয়া যায়। অনেকেই পেপাল বা অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে এখান থেকে টাকা তুলে থাকেন।
যারা মোবাইল দিয়ে সহজ কাজের মাধ্যমে বাড়তি কিছু আয় করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম হতে পারে।
৮. AppTrailers
অ্যাপট্রেলার্স (AppTrailers) একটু ভিন্নধর্মী অ্যাপ যেখানে বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ বা গেমের ট্রেইলার ভিডিও দেখে পয়েন্ট আয় করা যায়। অর্থাৎ নতুন কোনো অ্যাপ বা গেম বাজারে আসার আগে সেগুলোর ছোট ছোট ভিডিও দেখেই আপনি রিওয়ার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
এই অ্যাপটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। প্রথমে অ্যাপটি ইনস্টল করে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে হয়। এরপর ড্যাশবোর্ডে গেলেই বিভিন্ন ভিডিও ট্রেইলার পাওয়া যায় এবং প্রতিটি ভিডিও সম্পূর্ণ দেখলে নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট পাওয়া যায়।
দিনে কয়েকটি ভিডিও দেখলে ধীরে ধীরে ভালো পরিমাণ পয়েন্ট জমা হতে পারে। এর আরেকটি সুবিধা হলো, এখানে শুধু ভিডিও দেখা নয়, বরং অ্যাপ ডাউনলোড করা, রিভিউ দেওয়া এবং ছোট ছোট কাজ করার মাধ্যমেও অতিরিক্ত পয়েন্ট পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হলে ব্যবহারকারীরা সেগুলো গিফট কার্ড বা নগদ টাকায় রূপান্তর করে নিতে পারেন।
৯. InboxDollars
ইনবক্সডলার্স (InboxDollars) একটি জনপ্রিয় অনলাইন রিওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ভিডিও ও বিজ্ঞাপন দেখা, সার্ভে করা এবং ছোট ছোট অনলাইন কাজ করে টাকা আয় করা যায়। দীর্ঘদিনের পুরনো এই প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত কাজ করে অনেক ব্যবহারকারী বাস্তব অর্থ উপার্জন করছেন।
এখানে ‘Watch Videos’ নামে একটি বিশেষ বিভাগ রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন, ছোট ভিডিও বা নিউজের ক্লিপ দেখে অ্যাকাউন্টে রিওয়ার্ড জমা করা সম্ভব। প্রতিটি ভিডিও দেখার পরেই আপনার অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ রিওয়ার্ড যোগ হতে থাকে।
প্রতিদিন কয়েকটি ভিডিও দেখলে ধীরে ধীরে বেশ ভালো পয়েন্ট জমা হতে পারে। এর একটি বড় সুবিধা হলো এখানে শুধু ভিডিও দেখা নয়, বরং আরও অনেক উপায়ে আয় করা যায়।
যেমন: অনলাইন সার্ভে পূরণ করা, গেম খেলা, নতুন অ্যাপ ব্যবহার করা এবং বিভিন্ন অফারে অংশ নেওয়া। অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা হলে ব্যবহারকারীরা সেই অর্থ পেপাল (PayPal) বা গিফট কার্ডের মাধ্যমে খুব সহজেই তুলে নিতে পারেন।
১০. FeaturePoints
ফিচারপয়েন্টস (FeaturePoints) একটি সুপরিচিত রিওয়ার্ড অ্যাপ যেখানে ভিডিও দেখা, নতুন অ্যাপ ডাউনলোড করা এবং বিভিন্ন অফারে অংশ নিয়ে পয়েন্ট আয় করা যায়।
অনেক বছর ধরে অনলাইনে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি বিশ্বজুড়ে প্রচুর মানুষ ব্যবহার করছেন। এখানে ‘Videos’ বা ‘Offers’ সেকশনে ভিডিও এবং বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়, যা দেখলে ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট দেওয়া হয়।
নিয়মিত কাজ করার মাধ্যমে এখানে ধীরে ধীরে অনেক পয়েন্ট জমা করা সম্ভব। এই অ্যাপের বড় সুবিধা হলো, পয়েন্টগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণে পৌঁছালে তা পেপাল ক্যাশ, বিটকয়েন বা বিভিন্ন গিফট কার্ড হিসেবে তুলে নেওয়া যায়। যারা মোবাইল ব্যবহার করে অবসর সময়ে ভিডিও দেখে বাড়তি কিছু আয় করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম হতে পারে।
১১. TimeBucks
টাইমবাকস (TimeBucks) একটি জনপ্রিয় অনলাইন ইনকাম প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ভিডিও ও বিজ্ঞাপন দেখা, সার্ভে করা এবং ছোট ছোট কাজ সম্পন্ন করে টাকা আয় করা যায়।
অবসর সময়ে সহজ কিছু কাজের মাধ্যমে বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দিতেই এই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে ‘Content’ বা ‘Videos’ নামে একটি বিভাগ রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ছোট ভিডিও বা বিজ্ঞাপন দেখা যায়।
প্রতিটি ভিডিও সম্পূর্ণ দেখার পর ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ রিওয়ার্ড জমা হয়। নিয়মিত ভিডিও দেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এখান থেকে ভালো পরিমাণ পয়েন্ট বা অর্থ জমানো সম্ভব। এর একটি বড় সুবিধা হলো এখানে টাকা তোলার জন্য নানা ধরনের পেমেন্ট মাধ্যম রয়েছে।
ব্যবহারকারীরা পেয়ার (Payeer), বিটকয়েন, স্ক্রিল বা অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির সাহায্যে তাদের আয় করা অর্থ তুলে নিতে পারেন। তাই যারা মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করে সহজে অনলাইনে আয় করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম।
১২. Perk TV
পার্ক টিভি (Perk TV) এমন একটি অ্যাপ যেখানে ভিডিও, বিজ্ঞাপন এবং বিনোদনমূলক ক্লিপ দেখে পয়েন্ট আয় করা যায়। এটি মূলত একটি রিওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীদের ভিডিও দেখার বিনিময়ে পয়েন্ট দেওয়া হয়।
এই অ্যাপটি ব্যবহার করা খুবই সহজ; প্রথমে অ্যাপটি ইনস্টল করে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয়। এরপর নিউজ, মুভি ক্লিপ কিংবা মজার ভিডিওর মতো বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিডিও এখানে দেখা যায়।
প্রতিটি ভিডিও দেখার বিনিময়ে কিছু পয়েন্ট পাওয়া যায় এবং নিয়মিত ভিডিও দেখার মাধ্যমে বেশ ভালো পয়েন্ট জমিয়ে ফেলা সম্ভব।
এর একটি সুবিধা হলো, এখানে জমে থাকা পয়েন্টগুলো গিফট কার্ড বা নগদ রিওয়ার্ডে বদলে নেওয়া যায়। অনেকেই তাদের অবসর সময়ে এই অ্যাপটি ব্যবহার করে কিছু বাড়তি রিওয়ার্ড বা ছোট অংকের টাকা আয় করে থাকেন।
১৩. Rewarded Play
রিওয়ার্ডেড প্লে (Rewarded Play) মূলত এমন একটি অ্যাপ যেখানে ভিডিও দেখা, গেম খেলা এবং ছোট ছোট কাজ করার মাধ্যমে পয়েন্ট আয় করা যায়। অনেকেই অবসর সময়ে সহজ কিছু কাজ করে বাড়তি রিওয়ার্ড পাওয়ার জন্য এই অ্যাপটি ব্যবহার করেন।
এই অ্যাপে মাঝে মাঝে বিভিন্ন ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, যা সম্পূর্ণ দেখলে নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট পাওয়া যায়। এছাড়া অ্যাপের ভেতর নতুন নতুন গেম খেলা বা বিভিন্ন অফারে অংশ নিলেও বাড়তি পয়েন্ট জমানো সম্ভব।
রিওয়ার্ডেড প্লে-এর একটি ভালো দিক হলো, এখানে জমা হওয়া পয়েন্টগুলো পরবর্তীতে গিফট কার্ড বা অন্যান্য পুরস্কারে বদলে নেওয়া যায়। তাই যারা মোবাইলে সময় কাটানোর পাশাপাশি ছোটখাটো কিছু রিওয়ার্ড পেতে চান, তাদের জন্য এটি একটি সহজ মাধ্যম হতে পারে।
১৪. BuzzBreak
বাজব্রেক (Buzz Break) এমন একটি অ্যাপ যেখানে ভিডিও দেখা, খবর পড়া এবং ছোট ছোট বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে পয়েন্ট আয় করা যায়। এটি মূলত নিউজ ও বিনোদনধর্মী একটি প্ল্যাটফর্মের মতো কাজ করে, যেখানে প্রতিদিন নতুন সব কনটেন্ট পাওয়া যায়।
এই অ্যাপে বিভিন্ন ধরনের ছোট ভিডিও এবং নিউজের ক্লিপ থাকে। ব্যবহারকারীরা এসব ভিডিও দেখলে বা খবর পড়লে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট পান এবং নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বেশ ভালো পয়েন্ট জমিয়ে ফেলা সম্ভব।
বাজব্রেকের আরেকটি সুবিধা হলো এর রেফারেল সিস্টেম। আপনি যদি অন্য কাউকে অ্যাপটি ব্যবহারের আমন্ত্রণ জানান, তবে বাড়তি বোনাস পেতে পারেন। এভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হলে ব্যবহারকারীরা সেগুলো নগদ রিওয়ার্ডে রূপান্তর করে নিতে পারেন।
১৫. Zynn
জিন (Zynn) খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা একটি ছোট ভিডিও ভিত্তিক রিওয়ার্ড অ্যাপ, যেখানে ভিডিও দেখে এবং অন্যদের ভিডিওর সাথে যুক্ত হয়ে পয়েন্ট আয় করা যায়।
এই অ্যাপটি অনেকটা শর্ট ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ার মতো কাজ করে, যেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন ভিডিও আপলোড হয়। এখানে ব্যবহারকারীরা মজার ভিডিও, লাইফস্টাইল, টেকনোলজি এবং অন্যান্য বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখার সুযোগ পান।
প্রতিটি ভিডিও দেখার পর ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে কিছু পয়েন্ট বা রিওয়ার্ড যোগ হয় এবং নিয়মিত ভিডিও দেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে অনেক পয়েন্ট জমা করা সম্ভব। এর একটি বিশেষ সুবিধা হলো এর রেফারেল বোনাস সিস্টেম।
আপনি যদি আপনার বন্ধুদের এই অ্যাপটি ব্যবহারের আমন্ত্রণ জানান, তবে বাড়তি বোনাস পাওয়া যায়। অনেক ব্যবহারকারীই কেবল ভিডিও দেখে এবং অন্যদের রেফার করার মাধ্যমেই বেশ কিছু অতিরিক্ত রিওয়ার্ড সংগ্রহ করে থাকেন।
১৬. Make Money – Cash Earning App
Make Money – Cash Earning App এমন একটি অ্যাপ যেখানে ভিডিও ও বিজ্ঞাপন দেখা এবং ছোট ছোট অনলাইন কাজ করার মাধ্যমে পয়েন্ট আয় করা যায়। এই অ্যাপটি মূলত একটি মাইক্রো-টাস্ক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে খুব সহজ কিছু কাজের বিনিময়ে রিওয়ার্ড দেওয়া হয়।
আরো পড়ুন
পার্ট টাইম জব ইন বাংলাদেশ
অ্যাপটির ভেতরে ‘ওয়াচ ভিডিও’ বা ‘অফার’ নামে আলাদা বিভাগ থাকে যেখানে বিভিন্ন ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখা যায় এবং প্রতিটি ভিডিও সম্পূর্ণ দেখলে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট পাওয়া যায়।
এছাড়া নতুন অ্যাপ ডাউনলোড করা বা ছোট ছোট অফার সম্পন্ন করার মাধ্যমেও বাড়তি পয়েন্ট পাওয়া সম্ভব। এই অ্যাপের একটি বড় সুবিধা হলো, জমে থাকা পয়েন্টগুলো পরবর্তীতে পেপাল (PayPal) বা অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে নগদ টাকায় রূপান্তর করে নেওয়া যায়।
তাই যারা মোবাইল ব্যবহার করে অবসর সময়ে ছোট ছোট কাজ করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি সহজ মাধ্যম হতে পারে।
১৭. Current Rewards
কারেন্ট রিওয়ার্ডস (Current Rewards) একটি জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ, যেখানে ভিডিও দেখা, গান শোনা এবং বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে পয়েন্ট আয় করা যায়।
এটি মূলত একটি রিওয়ার্ড ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি যত বেশি সময় অ্যাপটি ব্যবহার করবেন, তত বেশি পয়েন্ট জমা হবে। এই অ্যাপের একটি বিশেষ দিক হলো, এখানে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও এবং লাইভ কনটেন্ট দেখার সুযোগ রয়েছে।
ব্যবহারকারীরা এসব ভিডিও দেখলে বা অ্যাপের ভেতরের কনটেন্টগুলো ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে পয়েন্ট জমা হয়। প্রতিদিন কিছুটা সময় এই অ্যাপটি ব্যবহার করলে বেশ ভালো পরিমাণ রিওয়ার্ড সংগ্রহ করা সম্ভব।
এর আরেকটি বড় সুবিধা হলো, এখানে জমা হওয়া পয়েন্টগুলো গিফট কার্ড, পেপাল (PayPal) ক্যাশ বা অন্যান্য ডিজিটাল রিওয়ার্ডে বদলে নেওয়া যায়। অনেক ব্যবহারকারীই তাদের অবসর সময়ে ভিডিও দেখে নিয়মিত ছোট অংকের রিওয়ার্ড সংগ্রহ করে থাকেন।
১৮. Givvy Videos
গিভি ভিডিওস (Givvy Videos) এমন একটি অ্যাপ যা বিশেষভাবে ভিডিও দেখে টাকা বা রিওয়ার্ড পাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ছোট ভিডিও বা বিজ্ঞাপন দেখে পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারেন।
অ্যাপটি ব্যবহার করা খুবই সহজ; প্রথমে ইনস্টল করে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হয়। এরপর অ্যাপের ভেতর বিভিন্ন শর্ট ভিডিও দেখা যায় এবং প্রতিটি ভিডিও সম্পূর্ণ দেখার পর ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে রিওয়ার্ড পয়েন্ট যোগ হয়।
নিয়মিত ভিডিও দেখলে ধীরে ধীরে অনেক পয়েন্ট জমা করা সম্ভব। গিভি ভিডিওস (Givvy Videos)-এর আরেকটি সুবিধা হলো এর রেফারেল প্রোগ্রাম।
আপনি যদি অন্য কাউকে অ্যাপটি ব্যবহার করার আমন্ত্রণ জানান, তবে বাড়তি বোনাস পেতে পারেন। এভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হলে ব্যবহারকারীরা সেগুলো নগদ টাকা বা গিফট কার্ডে রূপান্তর করে নিতে পারেন।
১৯. HideoutTV
হাইডআউট টিভি (Hideout TV) এমন একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিভিন্ন বিনোদনমূলক ভিডিও দেখে পয়েন্ট বা রিওয়ার্ড আয় করা যায়। এই প্ল্যাটফর্মে সাধারণত লাইফস্টাইল, গেমিং, খাবার, ভ্রমণ এবং মজার সব ভিডিও পাওয়া যায়।
ব্যবহারকারীরা এসব ভিডিও দেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে পয়েন্ট জমা করতে পারেন। এখানে কাজ করার পদ্ধতি খুবই সহজ; প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হয় এবং এরপর ভিডিও প্লে করে দেখলেই পয়েন্ট জমা হতে থাকে।
ভিডিও চলাকালীন মাঝে মাঝে ছোট ছোট বিজ্ঞাপন দেখা যায় এবং সেগুলো দেখার মাধ্যমে রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায়। নিয়মিত ভিডিও দেখলে ধীরে ধীরে ভালো পরিমাণ পয়েন্ট জমা হতে পারে।
হাইডআউট টিভি (Hideout TV)-এর একটি বড় সুবিধা হলো এটি অনেক সময় অন্যান্য রিওয়ার্ড প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ, এখানে পাওয়া পয়েন্টগুলো অন্য অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে গিফট কার্ড বা নগদ রিওয়ার্ড হিসেবে তুলে নেওয়া যায়। তাই যারা ভিডিও দেখে সহজে কিছু পয়েন্ট আয় করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম হতে পারে।
২০. Earnably
আর্নাবলি (Earnably) একটি অনলাইন রিওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম যেখানে ভিডিও দেখা, সার্ভে করা এবং ছোট ছোট অনলাইন কাজ সম্পন্ন করে পয়েন্ট আয় করা যায়।
এটি মূলত একটি মাইক্রো-টাস্ক ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে সহজ কাজের বিনিময়ে পুরস্কার দেওয়া হয়। এই প্ল্যাটফর্মে ‘ওয়াচ ভিডিও’ (Watch Videos) নামে একটি অপশন রয়েছে যেখানে বিভিন্ন ছোট ভিডিও বা বিজ্ঞাপন দেখা যায়।
প্রতিটি ভিডিও দেখার পর ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট যোগ হয় এবং প্রতিদিন ভিডিও দেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে অনেক পয়েন্ট জমানো সম্ভব।
আর্নাবলির একটি বড় সুবিধা হলো, এখানে জমে থাকা পয়েন্টগুলো পেপাল (PayPal) ক্যাশ, বিটকয়েন বা বিভিন্ন গিফট কার্ড হিসেবে তুলে নেওয়া যায়। অনেকেই তাদের অবসর সময়ে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে নিয়মিত ছোট অংকের টাকা আয় করে থাকেন।
লেখকের শেষ কথা
বর্তমানে ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করা বাংলাদেশে অনেকের কাছেই বাড়তি আয়ের একটি সহজ ও ফ্রি মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উপরে যে অ্যাপগুলোর কথা বলা হয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার অবসর সময়ে ছোট ছোট কাজের বিনিময়ে পয়েন্ট বা নগদ টাকা আয় করতে পারবেন।
প্রতিদিন শুধু ভিডিও দেখেই বড় অংকের টাকা আয় করা সম্ভব এমন আশা করাটা আসলে বাস্তবসম্মত নয়। তবে নিয়মিত অ্যাপ ব্যবহার করা, ধৈর্য ধরা এবং রেফারেল বোনাসের সুবিধাগুলো কাজে লাগালে আয়ের পরিমাণ কিছুটা বাড়ানো যেতে পারে।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো, যেকোনো অ্যাপ ব্যবহার শুরু করার আগে সেটির রিভিউ, পেমেন্ট প্রুফ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া। এতে আপনি প্রতারণা বা যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি থেকে নিরাপদ থাকতে পারবেন।
আপনি যদি ধৈর্য বজায় রেখে নিয়মিত ভিডিও দেখেন, ছোট ছোট কাজগুলো সম্পন্ন করেন এবং বিভিন্ন অ্যাপের সুবিধাগুলো ঠিকঠাক ব্যবহার করেন, তবে এটি আপনার অবসর সময়ে বাড়তি আয়ের একটি কার্যকর উপায় হয়ে উঠতে পারে।